তাহলে ভয় কি শুধুই দর্পনে? #Thebongsuspense | পুরোনো দর্পন | Purono Dorpon | #HorrorStory
চিলেকোঠার ঘরটার পূর্বদিকে একটা বড় জানলা রয়েছে। তার কোনো গোরাদ নেই, তবে পাল্লাদুটো বন্ধ করা যায়। এতক্ষন বন্ধই ছিল, কিন্তু সমীর সেটা এক ধাক্কায় খুলে দিল। বাইরে একটা মস্ত বড় গাছ দেখা যাচ্ছে! নিম হতে পারে, আবার অন্য কোনো গাছ ও হতে পারে, মানে সমীরের ঠিক তা জানা নেই আরকি, থাকবেই বা কেমন করে! চিরটাকাল ও কলকাতায় মানুষ, গাছপালা চেনার সময় পেলো কই? কলেজের পরা শেষ করেছে মাস ছয়েক আগে। তারপর চাকরি পেয়ে বিহারের এক ছোট্ট শহরে এসে পৌঁছোনো ওর। এই শহরটার হৃদপিন্ড বলতে রেলের কারখানা, সমীরের চাকরিটাও হয়েছে সেখানেই। মেকানিক্যাল ইংজিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি নেওয়ার পর ভীষণ ভাগ্যবলে হঠাৎই সমীর এই চাকরি টা পেয়ে গেছে। আর এসে পৌঁছেছে এখানে সকাল সকাল, তারপর সোজা রিকশা করে এই পুরোনো বাড়িটায়। স্টেশনে অনন্ত পোদ্দার বলে এক ভদ্রলোক অপেক্ষা করছিলেন সমীরের জন্য। সমীরের অফিসেরই কর্মচারী, ওপর মহলের হুকুমে মেজো অফিসার কে রিসিভ করতে এসেছেন, সমীরকে দেখা মাত্রই উনি বলে উঠলেন!
অনন্ত :- স্যার! এখন তো কোথাও কোয়ার্টার খালি নেই, অফিসার মেসেও সব রুমে লোক। তবে আগে তো এ শহরে বাঙালিদের বাংলোবাড়ি ভর্তি ছিল, তবে এখন সেগুলোর মধ্যে অর্ধেক খালি, রেল তাদের মধ্যে দু-একটা ভাড়া নিয়েছে, তারই মধ্যে একটায় আপনার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সমীর :- তা বেশ তো, আমার আবার এই বাংলোবাড়ি ব্যাপারটা বেশ ভালো লাগে, চলো এবার থাকাও হয়ে যাবে!
এই কথাটা বলেই সমীর একটু হেসে উঠেলো!
রিকশা বাড়িটার সামনে এসে থামতেই। পুরোনো বাড়িটাতে চোখ পড়লো সমীরের আর তৎক্ষণাৎ ওর মনটা বেশ ফুরফুরে হয়ে উঠলো। বাড়িটা দোতলা, সামনে বাগান। বেশ সুন্দর কাঠামো, রিক্সার ভাড়া মিটিয়ে সমীর এবং অনন্ত পোদ্দার বাড়ির মস্ত বড় লোহার তৈরী গেট খুলে ভিতরে ঢুকলো। ভিতরে ঢুকতেই সমীরের নাকে এক সুন্দর সুগন্ধ এসে লাগতেই ওর সারা শরীর আমু হয়ে উঠলো। সমীর চোখ বন্ধ করে কয়েক সেকেন্ডের জন্য সেখানেই দাঁড়িয়ে পড়লো! তবে পিছন থেকে অনন্ত পোদ্দার সমীর কে ডেকে বসলো, তারপর দুজন মিলে ফের সামনের দিকে এগোতে থাকলো। বাড়ির ভিতরে ঢুকে সমীর দেখলো ঘরগুলো পুরোনো আমলের ভিতরে দশাসই আসবাবে সাজানো। সমীর জিনিসগুলো দেখে বেশ খুশিই হলো। ওর বহুদিনের ইচ্ছে এমন একটা বাড়িতে থাকবে। চওড়া সিঁড়ি দিয়ে বেশ একা একা ঘুরে বেড়াবে, ছাদে যাবে, প্রাচীন আসবাব আর বাক্সপেট্রায় ঠাসা কোনো ঘরে খুঁজতে খুঁজতে পেয়ে যাবে গুপ্তধন। এসব ভাবদে ভাবদে নিজের মনেই হেসে ফেলল সমীর। কলকাতার ছোট্ট দু-কামরার ফ্ল্যাটে থাকতে থাকতে এসব নিয়ে কত কল্পনা করেছে সে। আর এখন সবটাই তার হাতের মুঠোয়। সেই রাতে সমীরের থেকে আজ্ঞা নিয়ে অনন্ত পোদ্দার নিজের বাড়ির পথে চলে গেলেন। সমীর ও ভীষণ ক্লান্তিতে গা এলিয়ে দিলো বিছানায়, পড়দিন ভোরবেলা উঠে সমীর দেখে, চায়ের সরঞ্জাম নিয়ে বাড়ির কেয়ারটেকার অখিলেস সিং বাইরের বারান্দায় বসে আছে। সমীর তাকে দেখে জিজ্ঞেস করলো।
সমীর :- কি ব্যাপার, আমি উঠতে না উঠতেই চা তৈরী?
অখিলেস সিং :- হে হে হে, আমি তো সুবহ উঠেই চায় বানাই, বাবু, বহুত দিন হুয়া য়েহা রহণে আয়া। এই কোঠি কে মালিক কা এক হি বেটা হ্যাঁ। বড়োবাবু গুজার জানেকে বাদ এক হি বার ইহা আয়ে থে, বস উস টাইম সে কোঠি খালি হ্যাঁয়। ঔর আবার তো সরকার নে ভাড়ে পে লে লিয়া, আপ রেহেনে আ গেয়ে।
সমীর :- হুম! লম্বা কাহিনী.. যাক গে! মাইনেটাইনে পাও তো ঠিকঠাক?
থাম্বনেইল আর্টিস্ট :- কৌশিক পাল
📲 Connect with us!
Facebook: / magicalvoic
Facebook Group: / 523593764995400
Instagram: https://www.instagram.com/thebongsusp...
📧 Email: subhodipg55@gmail.com
📢 নতুন নতুন ভয়ঙ্কর গল্প পেতে এখনই চ্যানেলটি Subscribe করুন এবং Bell Icon-এ ক্লিক করুন!
⚠️ Disclaimer:
এই গল্পটি সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত। শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে নির্মিত। বাস্তব জীবনের কোনো ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনার সঙ্গে মিল থাকলে তা কাকতালীয়।
এই অডিও গল্পটি কোনো ধরণের সহিংসতা, আত্মহত্যাপ্রবণতা, কুসংস্কার, বা অশুভ শক্তির প্রচার করে না। ধূমপান ও মদ্যপান স্বাস্থ্যহানিকর — আমরা এসবের প্রচার করি না।
শ্রোতাদের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হল।
#HorrorStory #PuronoDorpon
#SubhodipGhosh #Thebongsuspense #পুরোনোদর্পন
Информация по комментариям в разработке