ফেরেস্তা সৃষ্টি ও বাইতুর মামুর সম্পর্কে আল্লাহু বলেন I আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া,ইসলামের ইতিহাস,আদি-অন্ত
Bismillahir Rahmanir Rahim,,
Al Bidayah wan Nihaya, Islamer Adi-Anta,, History, Part One
Discussion of the Creation of Angels and Their Attributes
Sufyan Thawri'Shuba and Abul Ahwas ibn Fawza (rahmatullah) narrated that when someone asked Ali ibn Abi Talib (radiyallahu anhu) about Baitul Ma'mur, he said, it is a mosque called Zurah located in the sky. Its position is right above the Kaaba. As much as the status of Baitul Ma'mur on earth, its status in the sky is exactly the same. Seventy thousand angels offer prayers in it every day. Those who will never come there a second time. There is also a similar narration from Hazrat Ali (radiyallahu anhu) in another source.
Imam Tabarani (may Allah have mercy on him) narrated that Ibn Abbas (may Allah be pleased with him) said that the Messenger of Allah (peace and blessings of Allah be upon him) said: "Bait al-Ma'mur is in the sky. It is covered with a veil called Zurah. It is located directly above the House of Allah. When seen from above, it falls directly on it. Seventy thousand angels enter it every day. Then they never see it again. Its status in the sky is the same as the status of Makkah on earth." Awfi narrated similar narrations from Ibn Abbas (may Allah be pleased with him), Mujahid (may Allah be pleased with him), Ikrimah (may Allah be pleased with him), Rabi ibn Anas (may Allah be pleased with him), and Suddi (may Allah be pleased with him).
Qatada (may Allah be pleased with him) said: We were informed that the Messenger of Allah (peace and blessings of Allah be upon him) once asked his companions: Do you know what Bait al-Ma'mur is? They replied: They said, "Allah and His Messenger know best." He said: "(Bait al-Ma'mur) is a mosque in the sky along with the Ka'bah. If it were to fall from above, it would fall on it. Seventy thousand angels pray in it every day. They never return.
বিসমিল্লাহির রহমানের রাহিম,,
আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া,ইসলামের ইতিহাস,আদি-অন্ত,প্রথম খন্ডও
ফেরেস্তা সৃষ্টি ও তাদের গুণাবলির আলোচনা
সুফিয়ান ছাওরী'শুবা ও আবুল আহওয়াস ইবন ফাওযা (রহমাতুল্লা) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, যিনি আলী ইবন আবু তালিব (রাদিযাল্লাহু)-কে বাইতুর মামুর' সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেছিলেন, তা আকাশে অবস্থিত যুরাহ নামক একটি মসজিদ। কাবার ঠিক বরাবর উপরে তার অবস্থান। পৃথিবীতে বায়তুল্লাহর মর্যাদা যতটুক, তা আকাশে তা'র মর্যাদা ঠিক ততটুক। প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশতা তাতে সালাত আদায় করেন। যারা দ্বিতীয় বার আর কখনো সেখানে আসবেন না। ভিন্ন সুত্রেও হযরত আলী (রাদিয়াল্লাহু) থেকে এমন বর্ণনা রয়েছে।
ইমাম তাবারানী (রহমাতুল্লা) বর্ণনা করেন যে, ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যেঃ "বায়তুল মামুর আকাশে অবস্থিত। তাকে যুরাহ নামে আবৃত করা হয়। বায়তুল্লাহর ঠিক বরাবর উপরে তার অবস্থান। উপর থেকে দেখলে তা ঠিক তার উপরই এসে পড়বে। প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশতা তাতে প্রবেশ করেন। তারপর তারা আর কখনো দেখেন না। পৃথিবীতে মক্কা শরীফের মর্যাদা যতটুক, আকাশে তার মর্যাদা ঠিক ততটুক।আওফী অনুরূপ বর্ণনা ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু), মুজাহিদ (রাদিয়াল্লাহু), ইকরিমা (রহমাতুল্লা), রবী ইবন আনাস (রহমাতুল্লা) ও সুদ্দী (রহমাতুল্লা) প্রমুখ থেকেও করেছেন।
কাতাদা (রহমাতুল্লা) বলেন, আমাদেরকে জানানো হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম) একদিন তাঁর সাহাবাদেরকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমরা কি জান, বায়তুল মামুর কী? জবাবে তাঁরা বললেন, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল-ই ভালো জানেন। তখন তিনি বললেনঃ "(বায়তুল মামুর) কাবার বরাবর আকাশে অবস্থিত একটি মসজিদ। যদি তা উপর থেকে নিচে পড়তো তবে তা'র উপরেই পড়তো। প্রতিদিন সত্তর হাজার ফেরেশতা তাতে সালাত আদায় করেন। আর কখনো তারা ফিরে আসেন না।
যাহ্হাক বর্ণনা করেন যে, বায়তুল মামুর'কে ইবলীশ গোত্রীয় একদল ফেরেশতা আবাদ করে থাকেন। এদেরকে জিন বলা হয়ে থাকে। তিনি বলেন, তার খাদেমরা ঐ গোত্রভুক্ত। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
অন্যান্য বলেনঃ প্রতি আকাশে একটি করে ঘর আছে। সর্বপ্রথম আকাশে ফেরেশতাগণ তাতে ইবাদত করে তাদের আহার করে ও রাখেন। পালনক্রমে তারা সেখানে এসে থাকেন। যেভাবে পৃথিবীরবাসী প্রতি বছর হজ্ব করে এবং সর্বদা উমরা তাওাফ ও সালাতের মাধ্যমে বায়তুল্লাহকে আবাদ করে থাকেন।
সাঈদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ উমারী তার আল-মাগাজী কিতাবে শুরু করেছেনঃ আবূ উবায়দ মুজাহিদ এর হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, সাত আসমান ও সাত যমীনের মধ্যে হারাম শরীফ-এর মর্যাদাকে সমুন্নন্ত করা হয়েছে। এটি চৌদ্দটি গ্রহের চতুর্থটি,প্রতি আসমানে একটি প্রতি যমীনে একটি করে সম্মানিত ঘর আছে যার একটি উপর থেকে পতিত হলে তা নিচেরটির উপর দিয়ে পতিত হবে।
হাজ্জাজের মুআযযিন আবূ সুলাইমান থেকে আমাশ ও আবূ মুআবিয়া সূত্রে সাঈদ ইবন ইয়াহইয়া বর্ণনা করেন যে, আবূ সুলাইমান বলেন, আমি আবদুল্লাহ' ইবন আমর (রাদিয়াল্লাহু)-কে বলতে শুনেছিঃ
Информация по комментариям в разработке