শেরপুর জেলা বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
পূর্বে ১৮২৯-২০১৫ পর্যন্ত এটি ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত ছিল।
শেরপুর জেলার আয়তন ১,৩৬৩.৭৬ বর্গকিলোমিটার।
১৯৮৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এটিকে জেলায় উন্নীত করা হয়।
শেরপুর শহর, দেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ১৮৩ কিলোমিটার (১১৩.৭ মাইল) উত্তরে অবস্থিত |
উপজেলার সংখ্যা : শেরপুর সদর, নকলা, নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী |
উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান : শাহ কামাল মাজার, গজনী, মধুটিলা ইকোপার্ক, শের আলী গাজীর মাজার, জরিপ শাহ এর মাজার, বার দুয়ারী মসজিদ, ঘাগড়া লস্কর খান মসজিদ, মাইসাহেবা জামে মসজিদ।
জেলা: শেরপুর
উপজেলা (৫টি)
ইউনিয়ন (৫২টি)
শেরপুর সদর উপজেলা
1. চরশেরপুর
2. বাজিতখিলা
3. পাকুরিয়া
4. ভাতশালা
5. বেতমারী ঘুঘুরাকান্দি
6. কামারের চর
7. ধলা
8. কামারিয়া
9. লছমনপুর
10. রৌহা
11. চরপক্ষীমারী
12. বলায়ের চর
13. গাজির খামার
14. চরমোচারিয়া
নালিতাবাড়ী উপজেলা
1. নন্নী
2. যোগানীয়া
3. নালিতাবাড়ী
4. মরিচপুরান
5. কাকরকান্দি
6. পোড়াগাও
7. রুপনারায়নকুড়া
8. রাজনগর
9. বাঘবেড়
10. কলসপাড়
11. রামচন্দ্রকোড়া
12. নয়াবিল
শ্রীবদী উপজেলা
1. গোশাইপুর
2. তাতীহাটি
3. রাণী শিমুল
4. কুড়িকাহনীয়া
5. ভেলুয়া
6. সিংগাবরুনা
7. গড়জরিপা
8. শ্রীবরদী
9. কেকেরচর
10. কাকিলাকুড়া
নকলা উপজেলা
1. নকলা
2. টালকি
3. পাঠাকাটা
4. গৌড়দ্বার
5. বানেশ্বর্দী
6. পাঠাকাটা
7. টালকি
8. চর অষ্টধর
9. চন্দ্রকোনা
ঝিনাইগাতী উপজেলা
1. কাংশা
2. ধানশাইল
3. নলকুরা
4. গৌরীপুর
5. ঝিনাইগাতী
6. হাতিবান্দা
7. মালিঝিকান্দা
ইতিহাস :
শেরপুর অঞ্চল প্রাচীনকালে কামরূপা রাজ্যের অংশ ছিল। মুঘল সম্রাট আকবরের শাসনামলে এই এলাকা "দশকাহনিয়া বাজু" নামে পরিচিত ছিল। পুর্বে শেরপুরে যেতে ব্রহ্মপুত্র নদ খেয়া পাড়ি দিতে হত। খেয়া পারাপারের জন্য দশকাহন কড়ি নির্ধারিত ছিল বলে এ এলাকা দশকাহনিয়া নামে পরিচিতি লাভ করে। সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ভাওয়ালের গাজী, ঈসা খানের বংশধর থেকে দশকাহনিয়া এলাকা দখল করে নেয়। দশকাহনিয়া পরগনা পরবর্তীতে গাজী বংশের শেষ জমিদার শের আলী গাজীর নামানুসারে শেরপুর নামে নামকরণ করা হয়। ওয়ারেন হেস্টিংস থেকে কর্ণওয়ালিস-এর সময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এবং স্থানীয় জমিদারদের বিরুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়; ফকির আন্দোলনের নেতা টিপু শাহ এই এলাকায় সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে এবং গরজরিপার তার রাজধানী স্থাপন করেন। খোশ মুহাম্মদ চৌধুরীর নেতৃত্বে শেরপুরের কামারের চরে ১৯০৬, ১৯১৪ ও ১৯১৭ সালে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৮৩৮-৪৮ সালে নানকার, টঙ্ক, বাওয়ালী, মহাজনী, ইজারাদারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শেরপুরে কমিউনিস্টরা বিদ্রোহ করে। ১৮৯৭ সালে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পশ্চিম দিকে পরিবর্তন করে এবং যমুনার সঙ্গে একত্রীকরণ করতে বাধ্য করে; এটি অনেক প্রাচীন ভবনেও মারাত্মক ক্ষতি করে।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ :
শেরপুর জেলা ৫টি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা, ৫২টি ইউনিয়ন, ৪৫৮টি মৌজা, ৬৭৮টি গ্রাম ও ৩টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।
জেলার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানসমূহ হচ্ছে:
• গজনী অবকাশ কেন্দ্র,
• মধুটিলা ইকোপার্ক,
• ঘাঘড়া খান বাড়ি জামে মসজিদ,
• গড়জরিপা বার দুয়ারী মসজিদ,
• মাইসাহেবা জামে মসজিদ,
• কসবা মুঘল মসজিদ,
• মঠ লস্কর বারী মসজিদ (১৮০৮ খ্রিষ্টাব্দ),
• আড়াই আনী জমিদার বাড়ি,
• পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি,
• নয়আনী জমিদার বাড়ি,
• নয়আনী জমিদার বাড়ির রংমহল,
• নয়াআনী বাজার নাট মন্দির,
• গোপী নাথ ও অন্ন পূর্ন্না মন্দির,
• লোকনাথ মন্দির ও রঘুনাথ জিওর মন্দির,
• বারোমারি গীর্জা ও মরিয়ম নগর গীর্জা,
• নয়াবাড়ির টিলা,
• রাজার পাহাড় ও বাবেলাকোনা,
• পানিহাটা-তারানি পাহাড়,
• পানি হাটা দিঘী,
• সুতানাল দীঘি,
• গড়জরিপা কালিদহ গাং এর ডিঙি,
• গড়জরিপা ফোর্ট (১৪৮৬-৯১ খ্রিষ্টাব্দ),
• নালিতাবাড়ির রাবারড্যাম,
• অর্কিড পর্যটন কেন্দ্র,
• শাহ কামাল এর মাজার (১৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দ),
• শের আলী গাজীর মাজার,
• জরিপ শাহ এর মাজার,
• অলৌকিক গাজির দরগাহ, নকলা,
• মুন্সি দাদার মাজার, নকলা,
• বেড় শিমুল গাছ, নকলা।
** ANTI-PIRACY WARNING **
This content is Copyright to Central Music and Video [Raju Ahmed Official]. Any unauthorized reproduction, redistribution or re-upload is strictly prohibited from this material. Legal action will be taken against those who violate the copyright of the following material presented!
All rights reserved by Raju Ahmed Official. This Visual and Audio Element is Copyrighted Content of SR Music. Any Unauthorized Publishing is Strictly Prohibited.
Thank you.
Raju Ahmed Official (Channel Admin)
Информация по комментариям в разработке